ক্রীড়াঙ্গনে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর, সাকিব-মাশরাফির ফেরার প্রত্যাশা
নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই ব্যস্ত সময় পার করছেন আমিনুল হক। গতকাল বিকেলে জাতীয় সংসদে শপথগ্রহণ শেষে সচিবালয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও পরে তিনি মিরপুর পল্লবীতে নিজ বাসায় চলে যান। দায়িত্ব নেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন সাবেক এই গোলরক্ষক।
আমিনুল জানান, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এতদিন অবকাঠামোগত উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দিলেও তিনি খেলার মানোন্নয়নে জোর দিতে চান। ক্রীড়াঙ্গনে দুর্নীতির বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের ঘোষণা দেন তিনি। দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করেন নতুন প্রতিমন্ত্রী।
সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজা প্রসঙ্গে আমিনুল বলেন, তারা দেশের লিজেন্ডারি ক্রিকেটার। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় মামলা থাকলেও দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে মাঠে ফেরানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
ভারতের সঙ্গে ক্রীড়া সম্পর্ক জোরদারের কথাও বলেন আমিনুল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করা সাংগঠনিক ব্যর্থতার ফল বলে মন্তব্য করেন তিনি। আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব ছিল বলেও উল্লেখ করেন।
খেলোয়াড়দের অবসর-পরবর্তী জীবন নিয়েও ভাবছেন প্রতিমন্ত্রী। সাবেক ক্রীড়াবিদদের চাকরির ব্যবস্থা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনকে এক পরিবার হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আমিনুল হক।

