ঈদের পরপরই প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক |
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আয়োজিত প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা এগিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ১৭ এপ্রিলের নির্ধারিত সময়সূচি বাতিল করে ঈদের পরপরই দ্রুততম সময়ে এই পরীক্ষা আয়োজনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ রোববার রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে এনটিআরসিএ কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে মন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। তিনি জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা না করে প্রয়োজনে পরীক্ষা আরও ১৫ থেকে ২০ দিন এগিয়ে আনতে হবে। বিজি প্রেসের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত প্রশ্নপত্র মুদ্রণ ও যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের তাগিদ দেন।
এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, এবারই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। গত ২৯ জানুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজারেরও বেশি প্রার্থী আবেদন করেছেন। এর মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে।
নিয়োগ পরীক্ষার পদ্ধতি সম্পর্কে সংস্থাটির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান, মোট ১০০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে। এর মধ্যে এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৮০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যার সময় থাকবে এক ঘণ্টা। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। অবশিষ্ট ২০ নম্বরের মধ্যে ১২ নম্বর শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে এবং ৮ নম্বর মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত থাকবে। উভয় অংশে পৃথকভাবে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পাওয়া বাধ্যতামূলক।
মন্ত্রী ড. মিলন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, "বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নেতৃত্বের শূন্যতা পূরণে এই নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোনো বিলম্ব না করে স্বচ্ছতার সাথে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।" ঈদের ছুটির পরপরই পরীক্ষা আয়োজনের এই সিদ্ধান্ত আবেদনকারী প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

